পৃথিবীর ইতিহাসের প্রাচীন সভ্যতা সমূহ

Thursday, October 10, 2019

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ০২

প্রাচীন সভ্যতা সমূহ:


প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রায় ৫০০০ বছর আগে এই পৃথিবীর বুকে সভ্যতার শুরু হয়। এ সময় থেকেই মাসুষ লেখা বা লিখতে আরম্ভ করে। প্রাচীন সভ্যতা গুলোর অধিকাংশই ছিল নদী কেন্দ্রীক। কেননা, জীবন ধারণের জন্য পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। তাই পানি বা জলের সহজ প্রাপ্তীস্থান হিসেবে নদীকেই তখনকার মানুষ বেছে নিয়েছিলেন। নদী কেন্দ্রীক এই সভ্যতাগুলো কৃষি নির্ভর। নদীর কাছাকাছি অধিকাংশের বসবাস আরম্ভ হলেও একই সময় নগর কেন্দ্রীক সভ্যতারও দেখা মেলে। রোমান, গ্রীক এবং হিব্রু সভ্যতা হলো নগর সভ্যতার উদাহরণ।

ইতিহাসবিদগণ প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে যে সভ্যতাগুলো আলাদাভাবে চিহ্তি করেছেন সেগুলো হলো;

 ১। মেসোপটেমিয় সভ্যতা
 ২। মিসরীয় সভ্যতা
 ৩। চৈনিক সভ্যতা
 ৪। সিন্ধু সভ্যতা
 ৫। ইজিয়ান সভ্যতা
 ৬। ফিনিশীয় সভ্যতা
 ৭। পারস্য সভ্যতা
 ৮। হিব্রু সভ্যতা
 ৯। গ্রীক সভ্যতা
 ১০। রোমান সভ্যতা
 ১১। মায়া সভ্যতা
 ১২। নারা সভ্যতা
১। মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
    এটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসিবে চিহ্নিত। মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ দুই তীরের মধ্যবর্তী। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটির (বর্তমানে ফোরাত ও দজলা) নদীর তীরে এই সভ্যতার শুরু হয়। এখানে গড়ে ওঠা আরো কিছু সভ্যতার যোগফল বা একত্র করে একে মেসোপটেমীয় সভ্যতা হিসেবে ডাকা হয়। এই সভ্যতার বেশিভাগ অঞ্চল বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
যে সব সভ্যতাকে একসাথে মেসোপটেমীয় সভ্যতা হিসেবে বলা হয় সেগুলো হলো, সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, আসিরিও সভ্যতা, ক্যালেডীয় সভ্যতা।

(।) সুমেরীয় সভ্যতা:
   শুরু: খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে।
   স্থান: মেসোপপেমিয়ার দক্ষিণে (বর্তমান ইরাক ও সিরিয়া) পারস্য উপসাগরের অববাহিকায়।
   সভ্যতার উন্নতি ঘটে: ৪০০০ থেকে ৩০০০ খ্রিষ্টপূর্ব সময়ে
   সভ্যতায় অবদান: চাষ পদ্ধতি, লিখন পদ্ধতি (কিউনিফর্ম নামক অক্ষর ভিত্তিক বর্ণ) এবং চাকা আবিষ্কার।
  ধর্ম: ধর্ম মন্দিরের নাম জিগুরাত।
  আইন: সে সময় সম্রাটের পক্ষ থেকে ডুঙ্গি নামক কঠোর নিয়ম প্রচলিত ছিল। দাঁতের বদলে দাঁত, চোখের বদলে চোখ ইত্যাদি।

ধ্বংস: খ্রিষ্টপূর্ব ২৩০০ সালে আরব থেকে আগত সেমীয়গণের দ্বারা এই সভ্যতা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।

(।।) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
    শুরু: খ্রিষ্টপূর্ব ২০৫০
    স্থান: মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে
    স্থপতি: হাম্বুরাবি (পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা)
    অবদান: আইন প্রণয়ণ, চিত্রশিল্প ও সাহিত্য
    অন্যান্য: প্রাচীন পৃথিবীর মানচিত্র পাওয়া যায় ব্যাবিলনের গাথুর শহরে।

(।।।) অ্যাসিরীয় সভ্যতা:
     অ্যাসিরীয়রা ছিল যোদ্ধা জাতি। এরাই প্রথম গোলন্দাজ বাহিনী ও লোহার অস্ত্র তৈরি করে। বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রীতে ভাগ করে। এদেরকে সামরিক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অ্যাসিরীয় সম্রাট নিজেকে সূর্যদেবতা শামসের প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে মনে করতেন। ৬১২ সালে এ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়।

(VI) ক্যালডীয় সভ্যতা: 
     সম্যাট নেবুচাঁদনেজার এই সভ্যতার গোড়াপত্তন করেন।এই সম্রাট নগর দেওয়ালের ওপর নির্মান করেন শূন্যোদ্যান। ক্যালডীয়রা সপ্তাহকে ৭ দিন এবং দিনরাত্রীকে ২৪ ঘন্টায় ভাগ করেন।রাশি চক্রের সৃষ্টিও এই সভ্যতারই অবদান। 

(চলবে......)



    

আদি মানব বা সভ্যতার সূচনালগ্নে মানুষের অবস্থা

সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী): ০১

আজকের বিষয়: আদি মানব বা সভ্যতার সূচনালগ্নে মানুষের অবস্থা

প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ বছর আগে থেকে মানুষ ভূমিতে বসবাস শুরু করে।বর্তমান সময়ে প্রাচীন মানুষের অসিস্ত বলতে তাদের দেহের বিভিন্ন অংশের হাড় ও মাথার খুলি পাওয়া যায়। এদের নাম অস্ট্রালোপিপিথিকাস যাদের আদি ভূমি ছিল আফ্রিকা। এর আগে মানুষ বৃক্ষে বসবাস করতো। ১৮৯১ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাভার সোলো নদীর তীরে আদি মানবের খুলি আবিষ্কৃত হয়।জার্মানির হাইডেলবার্গে ৪ জন জার্মান গবেষক হাইডেলবার্গ মানুষের নিচের চোয়ালের হাড় আবিষ্কার করে।


Lorem

Please note: Delete this widget in your dashboard. This is just a widget example.

Ipsum

Please note: Delete this widget in your dashboard. This is just a widget example.

Dolor

Please note: Delete this widget in your dashboard. This is just a widget example.